ইমন চৌধুরী স্টাফ রির্পোটার।।
স্বৈরাচার ও গণবিরোধী শক্তি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিকে যারা বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে, তাদের উদ্দেশ্যই হলো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধ্বংস করা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার সাথে বিপরীত। আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের স্বার্থকে পদদলিত করে দীর্ঘদিন ধরে একদলীয় শাসন চালিয়ে আসছে।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা সময়ের দাবি। ছাত্র আন্দোলনের রক্তে রঞ্জিত স্বাধীনতার স্বপ্নকে যারা গুম, হত্যা, এবং দুর্নীতির মাধ্যমে বারবার লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের আদালত বসবে। যারা আওয়ামী লীগের বিচার কার্য সম্পন্ন না করে কোনো নির্বাচন আয়োজনের কথা বলছে, তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা আবশ্যক। কারণ এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার সুসংগঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এটি স্পষ্ট যে, স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত না হলে জনগণের সংগ্রামের ফলাফল ব্যর্থ হবে।
স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার ও তার মন্ত্রিসভা সহ যেসব অপরাধী জনগণের সম্পদ লুটপাট করেছে এবং আন্দোলনকারীদের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো নির্বাচন, কোনো সমাধান সম্ভব নয়।
জনগণের ন্যায্য দাবি এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা এবং তাদের অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়া এ দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।জাতীয় নাগরিক কমিটি গাজীপুর জেলা