হবিগঞ্জ সরকারী একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের হিসেবে বৈষম্য বিরোধী মামলা দিয়ে একটি পরিবাকে হয়রানী করছে প্রতি পক্ষের লোকজন। তাদের অব্যাহত হয়রানী ও ষড়যন্ত্রের ফলে একটি পরিবার এখন শঙ্কিত হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের আব্দাবখাই গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে ওয়াহেদ আহমেদ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওয়াহেদ আহমেদ বলেন, একটি সরকারী রাস্তা নিয়ে একই গ্রামের লতিফ মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ইমাম হোসেন সাথে বিরোধ রয়েছে। বিরোধ থাকার ফলে প্রতিপক্ষরা সরকারী রাস্তার উপর অবৈধ বাউন্ডারী ওয়াল নির্মান করে আমাদের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে।
এ নিয়ে গ্রামে একাধিকার শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের রায় আমাদের পক্ষে আসলে প্রতিক্ষের লোকজন বার বার অগ্রায্য করে আসছে।
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম ও ইমাম হোসেন আমার ছোট ভাই মামুন আহমেদ ও ছোট বোন জামাই মাহবুবুর রহমান রানাকে ঢাকার মোহাম্মদ পুরে বৈষম্য বিরোধী মামলা দিয়ে হয়রানী করে করছে। যা আমরা শুনে হতবাক হয়েছি।
আমার ভাই মামুন আহমেদ লস্করপুর ইউনিয়নের ১নং ওযার্ড বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। সে অতিতে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের একাধিক মিছিল মিটিং ও সমাবেশ অংশ গ্রহন করে আসছেন।
মাহবুবুর রহমান রানাও একজন বিএনপির সক্রিয় কর্মী। তিনি ২০১৪ সালে নভেম্বর মাসে হবিগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনে বিএনপির একটি মিছিলে অংশ গ্রহন করার কারনে তাকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি আবু জাহিরের ছবি পুড়ানো ও ভাংচুরের অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানী করছিল স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্টরা। বর্তমানে ছাত্র-জনতার বিজয়ের পর নতুন বাংলাদেশে
মোঃ ফয়েজ উদ্দিন