ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ব্যবস্থা নেওয়ার কি কেউ আছে সকলেরই দৃশ্যমান চোখ রয়েছে

  • প্রতিনিধির নাম :পাবনা জেলা প্রতিনিধিঃ | নিউজটি দেখেছেনঃ 64625 জন
ব্যবস্থা নেওয়ার কি কেউ আছে সকলেরই দৃশ্যমান চোখ রয়েছে ছবির ক্যাপশন: স্বাধীন ৭১
ad728

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের হালিমপুর হাট হিড়িন্দা বাজার অবস্থিত। এই হাটটি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯০ সালের দিকে এলাকার একজন অতি সাধারণ মানুষ মরহুম কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার উদ্যোগ গ্রহন করেন। 

হাটটি প্রতিষ্ঠা করতে দলমত নির্বিশেষে এলাকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ঐকান্তিকতার শেষ ছিলোনা। বিশেষ করে নেতৃত্বে ছিলেন মরহুম আলহাজ্ব মহির উদ্দিন মোল্লা, ফৈলজানা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম আজিজুর রহমান সিপাহী সরদার সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবরেন্য। এখানে নাম বলতে গেলে অজস্র জনের নাম বলতে হবে। তবে প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আজকের সময়ে দুরদুরান্তের ব্যবসায়ীরা মরহুম কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টারকেই কৃতিত্ব দিয়ে থাকেন।
কারন হিসেবে হালিমপুর হাট হিড়িন্দা বাজার প্রতিষ্ঠা লগ্নে যে, আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দরকার ছিলো তার শতকরা আশি শতাংশ মরহুম কবি ডাঃ আব্দুল হালিম মাষ্টার সরবরাহ করেছেন। 

এখন আসি হাটে সমস্যার কথায়, এই হাটের মেইন গলির ছবি এটা।
এটা হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসায় প্রবেশেরও মেইন রাস্তা। 
হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসা চত্বরেই রয়েছে হিড়িন্দা বাজার জামে মসজিদ।
প্রতি সপ্তাহে দুই দিন শনিবার ও বুধবার হাট বসে। 
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য অসংখ্য মুসল্লী এই গলি/রাস্তা দিয়ে পাঁচ বার মসজিদে গমন করেন।
সপ্তাহে পাঁচদিন হিড়িন্দা দাখিল মাদ্রাসায় অসংখ্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক মণ্ডলীরা গমন করেন যথারীতি। 

একটু বৃষ্টি হলেই কাঁদার ছড়াছড়ি লেগে যায়।ভোগান্তিতে পড়ে যায় শিক্ষার্থীরা, শিক্ষক মন্ডলীরা, পাঞ্জেগানা নামাজ আদায়কারী মুসল্লীরা, এছাড়াও হালিমপুর হাট হিড়িন্দা বাজারে আগত দোকানদার ব্যবসায়ী ক্রেতা-সাধারন ব্যক্তিবর্গরা।
 বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও বার বার তদ্বির করেও কাজ না হওয়ায় বাজার সমিতির উদ্যোগে ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে সকলেই কিছু সহযোগিতা করে কয়েক ট্রলি আধলা ইট, রাবিশ দিয়ে মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে তোলস হয় রাস্তাটিকে/গলিটিকে।

হিড়িন্দা বাজার ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ এর সাথে কথা বলে জানা যায় যে, বর্তমানে গলিটি সংস্কারের জন্য হাট কমিটির লোকজন ইজারাদার কে বার বার অনুরোধ করা হলেও কোন কাজ হয়নি। হাট থেকে দোকানদার/ব্যবসায়ীরা চাঁদা তুলে সহযোগিতা করতে টাকা প্রদান করেও কোন সুবিধা পাচ্ছেনা। অত্র হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভুক্তভূগী দোকানদার/ব্যবসায়ীরা বারবার অনুরোধ করেও কোন ফল পাচ্ছে না। প্রতি সপ্তাহে 
হাটবার শনিবার ও বুধবার হাট থেকে উক্ত রাস্তা/গলি দিয়ে খালি অটো, করিমন, ভ্যান, মোটর সাইকেল,বাই সাইকেল নিয়ে মেইন রাস্তায় উঠতে বেগ পোহাতে হয়। জ্বালানীতে পরিচালিত বাহন গুলো থেকে যে পরিমান কালো ধোঁয়া নির্গত হয় তাতে আশে-পাশে দাড়িয়ে থাকা লোক জনের চোখ মুখ পুড়ে যাওয়ার উপক্রম সংগঠিত হয়। 

যদিও বর্তমানে অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আছে, তবুও মনে হয় দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় হয়তো বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর সরকার রয়েছে।  তাই এই হাটে আগত দোকানদার এলাকাবাসীদের প্রানের দাবী এলাকা সংশ্লিষ্ট বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দের কাছে অন্তত এই রাস্তা/গলিতে রাবিশ/ইটের আধলা ফেলে হলেও জনগনে চলাচলের উপযোগী রাখতে আন্তরিক সদিচ্ছার প্রকাশ ব্যক্ত করবেন।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ ফয়েজ উদ্দিন

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে গ্রীন ভয়েসের সাপ্তাহিক পাঠচক্রের আসর

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে গ্রীন ভয়েসের সাপ্তাহিক পাঠচক্রের আসর